• ৩০শে জুলাই, ২০২৬
  • ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩
  • ১৫ই সফর, ১৪৪৮
  • এখন সময়, সকাল ৬:১২

২৮ জুলাই পীরগঞ্জের বাতিঘর মোস্তফা আলমের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে
বাবাকে নিয়ে কিছু কথা

অনলাইন ডেস্ক

মোকাদ্দেস হায়াত মিলন লেখক ও শিক্ষক:

‘বাবা’ ছোট্ট একটি শব্দ, কিন্তু এর গভীরতা অসীম। অতিসাধারণ উচ্চারণ। কিন্তু এর ব্যপকতাও ব্যপক। বাবাদের জীবনযাপনও খুব সহজ সরল, কিন্তু তাঁর ভেতরে লুকিয়ে থাকে এক বিশাল নীরব ছায়াবৃক্ষ। তিনি সন্তানের জন্য ইস্পাতকঠিন দৃঢ়তা, পাহাড়সম উদারতা, সমুদ্রের মতো বিশালতা, চীনের প্রাচীরের মতো নিরাপত্তার দেয়াল এবং অনিঃশেষ মমতার এক অনন্য উৎস। সন্তানের কাছে বাবা শুধু একজন জন্মদাতাই নন; তিনি জীবনের প্রথম শিক্ষক, প্রথম অভিভাবক, প্রথম আদর্শ এবং সবচেয়ে নির্ভরতার আশ্রয়স্থল।
বাবার চোখের গভীরে লুকিয়ে থাকে সন্তানের জন্য এক অনন্ত ভালোবাসার মহাকাব্য, যা হয়তো মুখে সবসময় প্রকাশ পায় না, কিন্তু তাঁর প্রতিটি নিঃশ্বাসে নিঃশ্বাসে অনুভূত হয়। আজ যে স্নেহ, মমতা আর আশীর্বাদকে এত সহজলভ্য বলে মনে হচ্ছে, কাল হয়তো সেটিই জীবনের সবচেয়ে বড় শূন্যতায় পরিণত হবে।
ক্যালেন্ডারের পাতা বদলায়, ঋতু বদলায়, জীবনও সামনে এগোয়; কিন্তু বাবার অভাব কি কখনো পূরণ হয়, হয় না। বাবা নেই, দুই বছর হতে চলল। সময়ের হিসাবে দুই বছর হয়তো খুব বেশি নয়—কিন্তু বাবা হারানো মানুষের কাছে প্রতিটি দিনই যেন দীর্ঘ শূন্যতা। অনেকেই বলেন, সময় নাকি সব ক্ষত সারিয়ে দেয়। কিন্তু বাবা হারানোর ক্ষত কি কখনো সারে? মানুষ হয়তো বেঁচে থাকার তাগিদে মানিয়ে নিতে শেখে, কিন্তু বাবা নেই—সেই শূন্যতার সঙ্গে সত্যিকার অর্থে কেউই মানিয়ে নিতে পারে না।
আজও কোনো কারণে মন খারাপ হলে অজান্তেই মনে হয়, বাবাকে একটা ফোন দিই। তারপর বুকের ভেতর হাহাকার—যে নম্বরে ফোন করলে একসময় ওপাশ থেকে পরিচিত কণ্ঠ ভেসে আসত, সেটি আজ নীরব। যে মানুষটা সবসময় বলতেন, চিন্তা করিস না, আমি আছি, সেই মানুষটা আজ নেই। অথচ পৃথিবী চলছে তার নিয়মে, সবকিছু আছে আগের মতোই। শুধু জীবনের নির্ভরতার বড় অংশটা নিঃশব্দে হারিয়ে গেছে।
ছেলেবেলার কথা খুব মনে পড়ে। বাবার আঙুলটাই ছিল যেন দুনিয়ার সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়। রাস্তা পার হতে গিয়ে, মেলায় ঘুরে বেড়ানো কিংবা সন্ধ্যায় বাবার সঙ্গে হাঁটতে যাওয়া—এসবই ছিল শৈশবের বড় আনন্দময় সময়। মানুষের ভিড়ে হারিয়ে যাওয়ার ভয় যখন বুকে কাঁপন ধরাত, তখন শক্ত করে ধরা বাবার সে আঙুলটাই যেন সাহস হয়ে থাকত। কতবার যে বাবার কাঁধে চড়ে পৃথিবীকে দেখতে শিখেছি, কত আবদার করেছি! কখনো খেলনা, কখনো নতুন জামা, কখনো কারণ ছাড়াই শুধু বাবার পাশে বসে তার শরীরের উত্তাপ নেওয়া।
বাবা হয়তো সব ইচ্ছে পূরণ করতে পারেননি, কিন্তু কখনো বুঝতেও দেননি তার সীমাবদ্ধতার কথা। নিজের অপূর্ণতাকে আড়াল করে সন্তানের মুখের হাসিতেই খুঁজে নিতেন নিজের পূর্ণতা। সময় মানুষকে বড় করে তোলে। একসময় নির্ভরতার সেই আঙুল ছেড়ে আমরা নিজেরাই চলতে শিখি। ব্যস্ততা বাড়ে, দায়িত্ব বাড়ে, বাড়তে থাকে দূরত্বও। অথচ বাবারা কখনো অভিযোগ করেন না। নিঃশব্দে সন্তানের জন্য চিন্তা করেন, প্রার্থনা করেন; নিজের ইচ্ছেগুলো বিসর্জন দিয়ে সন্তানের স্বপ্ন বড় করে তোলেন।
বাবারা বড় অদ্ভূতও। তাঁরা ভালোবাসেন সবচেয়ে বেশি, অথচ প্রকাশ করেন কম। মায়েদের ভালোবাসা অনেকটাই স্পষ্ট, আর বাবারা দেখান দায়িত্বে, ত্যাগে আর পরিশ্রমে। অনেক সময় রাগ, শাসন কিংবা নীরবতার আড়ালেই লুকিয়ে থাকে তাদের গভীর মমতা। আমরা বড় হতে হতে অনেক দূরে চলে যাই। আমাদের অনেক কাজ আর অনেক বন্ধুর ভিড়ে বাবার সঙ্গে গল্প করার সময় হারিয়ে যায়। মনের ভেতর জমতে থাকা অনেক কথাও তখন বলতে চেয়েও বলা হয় না। মনে হয়, সময় তো আছেই—আরেকদিন না হয় বলব। কিন্তু নির্মম সত্য হলো—জীবন সব কথা বলার সুযোগ সব সময় দেয় না। কতবার ভেবেছি বাবাকে জড়িয়ে ধরে বলব—‘তোমাকে ভালোবাসি।’ কিন্তু বলা হয়নি কখনো। কতবার তার চিন্তাক্লিষ্ট ক্লান্ত মুখটা দেখেও জিজ্ঞেস করা হয়নি, ‘কেমন আছো, বাবা?’ এসব কিছু করতে গিয়ে, বলতে গিয়ে—কতশত বার ব্যস্ততার কাছে হার মেনেছি, কতশত দায়িত্বে জড়িয়েছি নিজেকে, কিন্তু বাবার সঙ্গে গল্প করার, তাকে সময়টুকু দেওয়ার সময়টাই শুধু হয়নি।

আমরা পাঁচ ভাই ও সাত বোন- সব মিলিয়ে বারো ভাইবোনের এক বিশাল পরিবার। আজকের এই আকাশছোঁয়া মূল্যস্ফীতি আর বস্তুবাদের যুগে একটিমাত্র মানুষের সীমিত আয়ে এত বড় সংসার সামলানোর কথা ভাবলেই গায়ে কাঁটা দেয়। কিন্তু অসীম ত্যাগ, কঠোর পরিশ্রম আর শত প্রতিকূলতার মুখেও আমাদের বাবা কখনোই দায়িত্বের ভারে নুয়ে পড়েননি। বরং পরম স্নেহে আমাদের সবাইকে সমাজোপযোগী মানুষ হিসেবে গড়ে তুলেছেন। পরম মমতায় বুকে টেনে নিয়েছিলেন মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হওয়া ছোট ভাইয়ের সন্তানদেরও; তারাও আজ সমাজে প্রতিষ্ঠিত। আমার বাবা মোস্তফা আলম সেই মানবিকতা ও দায়িত্ববোধের সীমানা কেবল নিজেদের পরিবারের চার দেয়ালের মাঝে আটকে ছিল না। নিজের সন্তানদের জন্য তিনি যতটুকু করেছেন, তার চেয়েও বহু গুণ বেশি করেছেন সমাজের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে। বাবাকে দেখেছি-আইনি বেড়াজালে পড়ে কেউ সাহায্য চাইলে, মুহূর্ত বিলম্ব না করে গায়ে একটি সাধারণ ‘গার্জিয়ান’ গেঞ্জি চড়িয়েই থানার উদ্দেশ্যে ছুটে যেতেন। অভাবী শিক্ষার্থীদের বই-খাতা কিনে দেওয়া থেকে শুরু করে মেধাবীদের পড়ার খরচ জোগানো কিংবা কর্মহীন মানুষের কাজের ব্যবস্থা করা-সবই ছিল তাঁর নিত্যদিনের অভ্যাস। তিনি মনে করতেন, সম্পদ বা অট্টালিকায় মানুষের আসল পরিচয় নয়; প্রকৃত পরিচয় লুকিয়ে থাকে আর্তমানবতার সেবায়।
আমাদের বাবা মোস্তফা আলমের পুরো জীবনটাই যেন পীরগঞ্জের ইতিহাস ও সামাজিক রূপান্তরের এক প্রামাণ্য দলিল। ১৯৪৯ সালে মাইনর পাস করার পর, ১৯৫৩ সালে মেট্রিক পরীক্ষার্থী থাকা অবস্থাতেই তিনি সেতাবগঞ্জ চিনিকলে অর্গানাইজার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। দীর্ঘ ১৫ বছর সুনামের সাথে চাকরি করার পর ১৯৬৭ সালে ঠাকুরগাঁও চিনিকলের সেন্টার ইনচার্জ হিসেবে পীরগঞ্জ ইক্ষু কেন্দ্রে যোগ দেন। কিন্তু তাঁর ভেতরে সুপ্ত ছিল জনসেবার এক বিশাল তাগিদ। ফলে ১৯৬৯ সালে চাকরি ছেড়ে পুরোদমে রাজনীতি ও সমাজসেবায় আত্মনিয়োগ করেন।
একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ যখন জনযুদ্ধে রূপ নেয়, তখন তিনি নানাভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের পাশে দাঁড়ান। তাঁরই অনুপ্রেরণায় ছোট ভাই বীর মুক্তিযোদ্ধা আলী মর্তুজা মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। স্বাধীনতার সেই রক্তক্ষয়ী দিনগুলোতে পাক বাহিনীর হাতে প্রাণ হারান তাঁদের বাবা পীরগঞ্জ ইউনিয়নের পঞ্চায়েত ও পরবর্ততে চেয়ারম্যান খাদেম মতিউর রহমান এবং ছোট ভাই মুরাদ হোসেন। রক্তের দাগ আর স্বজন হারানোর বেদনা বুকে নিয়েই বাবা দেশ পুনর্গঠনে নেমে পড়েন।
১৯৭৩ সালে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে ৬ নম্বর পীরগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন মোস্তফা আলম। দীর্ঘ মেয়াদে জনপ্রতিনিধি থাকার সুবাদে তিনি পীরগঞ্জ শহরের প্রশাসনিক জটিলতা দূর করার দূরদর্শী পরিকল্পনা নেন। পীরগঞ্জ ইউনিয়ন ও দৌলতপুর ইউনিয়নের ভৌগোলিক সীমানার কারণে শহরের সার্বিক উন্নয়ন ব্যাহত হচ্ছিল। তিনি অনুধাবন করেন, পীরগঞ্জকে পৌরসভায় উন্নীত করা ছাড়া এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।
১৯৭৯ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপ্রধান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান পীরগঞ্জে রাজনৈতিক সফরে এলে, বাবা কৃষি ব্যাংক সংলগ্ন মাঠে আয়োজিত জনসভায় পীরগঞ্জকে পৌরসভায় রূপান্তরের আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব তুলে ধরেন। প্রেসিডেন্ট জিয়া সেদিনই পীরগঞ্জকে পৌরসভা গঠনের প্রাথমিক অনুমোদন দেন। পরবর্তীকালে বাবার দীর্ঘ ও নিরলস প্রচেষ্টায় ১৯৮৯ সালের ১০ আগস্ট ৬ নম্বর পীরগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়টিকে পীরগঞ্জ পৌরসভার অফিস হিসেবে উদ্বোধন করা হয়। একটি আধুনিক ও সুপরিকল্পিত পীরগঞ্জ শহরের যে স্বপ্ন তিনি দেখেছিলেন, তা আজ বাস্তব। আজ পীরগঞ্জ পৌরসভা প্রথম শ্রেণির পৌরসভা।
কেবল নগর পরিকল্পনা বা রাজনীতিতেই নয়, সংগঠক ও শিক্ষানুরাগী হিসেবেও তাঁর অবদান ছিল ঈর্ষণীয়। ১৯৬৮ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত টানা চার দশকেরও বেশি সময় তিনি পীরগঞ্জ বণিক সমিতির সম্পাদকের দায়িত্ব সামলেছেন। পীরগঞ্জ থানা কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির চেয়ারম্যান, ১৯৮৪ থেকে ১৯৯১ পর্যন্ত বাংলাদেশ জাতীয় সমাজ কল্যাণ পরিষদের নির্বাহী কমিটির রাজশাহী বিভাগের একমাত্র সদস্য এবং ঠাকুরগাঁও জেলা পরিষদ ও পীরগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সদস্য হিসেবে তিনি দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছেন। ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত ভেলাতৈড় ভদ্রপাড়া মতিউর রহমান মেমোরিয়াল ক্লাব অ্যান্ড লাইব্রেরির তিনি ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান পৃষ্ঠপোষক।
শিক্ষা বিস্তারে তাঁর অবদান পীরগঞ্জের ঘরে ঘরে স্মরণীয়। ১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠিত ‘সবুজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়’ এর তিনি ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা, দাতা সদস্য ও সভাপতি। পীরগঞ্জের একমাত্র সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ‘বণিক সরকারি বালিকা বিদ্যালয়’ (১৯৭৩) এবং ‘পীরগঞ্জ সরকারি কলেজ’ !(১৯৬৫)স্থাপনে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন এবং পরবর্তীকালে সরকারি নিবন্ধনের দলিলেও গভর্নিং বডির সদস্য হিসেবে স্বাক্ষর করেন। এ ছাড়া ভেলাতৈড় আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, পীরগঞ্জ মহিলা কলেজ, পীরডাঙ্গী এসআই সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসা এবং ভেলাতৈড় মহিলা টেকনিক্যাল কলেজের প্রতিষ্ঠা ও ব্যবস্থাপনায় জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি যুক্ত ছিলেন।
ছোটবেলা থেকেই বাবার কাছে শিখেছি-মানুষের আসল পরিচয় পোশাকে নয়, ব্যবহারে; অর্থ-সম্পদে নয়, সততায়; কথায় নয়, তার কর্মে। যখন চারপাশে স্বার্থপরতা, মূল্যবোধের চরম অবক্ষয় আর মানবিকতার সংকট দেখি, তখন বাবার জীবনের আদর্শগুলো আরও বেশি প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠে।
৮৮ বছর বয়সে, ২০২৪ সালের ২৮ জুলাই রবিবারের শান্ত সন্ধ্যায় বাবা আমাদের সকলকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন। তবে তিনি আমাদের শিখিয়ে গেছেন- মানুষ তাঁর ধন-সম্পদের জন্য নয়, বেঁচে থাকে তাঁর রেখে যাওয়া আদর্শ ও কর্মযজ্ঞের মধ্য দিয়ে। শারীরিক অনুপস্থিতি সত্তে¡ও তাঁর নীতি, নৈতিকতা এবং তাঁর প্রতিষ্ঠিত জনকল্যাণমুখী প্রতিষ্ঠানগুলো আজও আমাদের এবং পীরগঞ্জবাসীর পথের দিশা হয়ে রয়েছে। ক্ষণস্থায়ী এই পৃথিবীতে তিনি হয়তো নেই, কিন্তু তাঁর আদর্শ আমাদের জীবনের নিত্যদিনের বাতিঘর। তার রেখে যাওয়া আলোয় আলোকিত হবে পরবর্তী প্রজন্ম। এ আলো পথ দেখাবে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মকে।
আমাদের বাবার প্রয়ান দিবসে আজকে আমাদের প্রত্যাশা হলো প্রতিটি সকাল শুরু হোক বাবাদের হাসিমাখা মুখ দেখে, আর প্রতিটি সন্ধ্যা কাটুক তাঁদের পাশে বসে জীবনের গল্প শোনার অমূল্য সময় হিসেবে। আর যেসব বাবা আজ আমাদের মাঝে নেই, তাঁদের প্রতি রইল বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। মহান সৃষ্টিকর্তা তাঁদের যেন বেহেশতের সর্বোচ্চ স্থানে অধিষ্ঠিত করেন।
যাঁদের বাবা এখনো বেঁচে আছেন, তাঁরা যেন এই অমূল্য আশীর্বাদের সঠিক মূল্য উপলব্ধি করেন। ব্যস্ততার মত খরা অজুহাতে বাবাকে ভুলেও অবহেলা করবেন না। কিছুটা সময় বের করে তাঁর পাশে বসুন, প্রাণভরে কথা বলুন, তাঁর হাতটি শক্ত করে ধরে রাখুন অথবা পরম যত্নে তাঁকে জড়িয়ে ধরুন।

Download This News Card